Back to Case Studies
Case StudySportswear / Jersey — D2C E-commerce

FIFA সিজনে একটি জার্সি ব্র্যান্ডের ৳১.১০ কোটি রেভিনিউ

CleatsBD আমাদের কাছে এসেছিল একটাই প্রশ্ন নিয়ে — বিশ্বকাপের আগে বাজেট আরও বাড়ানো উচিত কি না। আমাদের উত্তর ছিল না, কারণ সমস্যাটা বাজেটে ছিল না, ফানেলে ছিল। ৯০ দিনে সেই ফানেল ঠিক করেই মাত্র $7,859.01 খরচে ৳১.১০ কোটি+ রেভিনিউ এসেছে।

C

Client

CleatsBD

7.8X

ROAS

৫,৫০০+

Orders

$1.65

CPA

Key Results

FIFA সিজনের ৯০ দিনে মাত্র $7,859.01 খরচে ৳১.১০ কোটি+ রেভিনিউ আর ৫,৫০০+ অর্ডার এসেছে — 7.8X ROAS, $1.65 প্রতি অর্ডার খরচ। বাজেট না বাড়িয়ে, নতুন মানুষের কাছে সরাসরি বিক্রির অ্যাড বন্ধ করে, আগ্রহ-ভিত্তিক রিটার্গেটিং আর প্রোডাক্ট-কেন্দ্রিক ক্রিয়েটিভ দিয়ে পুরো ফানেল নতুন করে সাজানোই এই ফলাফলের কারণ।

১. ব্র্যান্ড আর কাজের পরিধি

  • ক্লায়েন্ট: CleatsBD (জার্সি ও স্পোর্টসওয়্যার ব্র্যান্ড, বাংলাদেশ)
  • ইন্ডাস্ট্রি: D2C স্পোর্টসওয়্যার ই-কমার্স
  • কাজ: Performance Marketing (Meta Ads) + প্রোডাক্ট-কেন্দ্রিক ক্রিয়েটিভ
  • সময়কাল: FIFA বিশ্বকাপ সিজন, ৯০ দিন
  • ফলাফল: ১.১০+ কোটি টাকা রেভিনিউ, ৫,৫০০+ অর্ডার, 7.8X ROAS, $1.65 CPA — $7,859.01 খরচে
  • সোর্স: Meta Ads Manager আর Google Analytics-এর নিজের ডেটা, ৯০ দিনের ক্যাম্পেইনের ওপর ভিত্তি করে

সোশ্যাল গিকে আমরা ঢাকা থেকে বাংলাদেশের D2C ব্র্যান্ডগুলোর পারফরম্যান্স মার্কেটিং নিয়ে কাজ করি। CleatsBD আমাদের কাছে এসেছিল একটা প্রশ্ন নিয়ে — বিশ্বকাপ আসছে, বাজেট কতটা বাড়ানো দরকার।

২. যেখান থেকে শুরু হয়েছিল

প্রতি বিশ্বকাপে একই জিনিস আমরা দেখি। ফুটবল নিয়ে পুরো দেশ মেতে ওঠে, আর জার্সি ব্র্যান্ডগুলো একে অপরের সাথে বাজেট নিয়ে প্রতিযোগিতায় নামে। প্রত্যেকে ভাবে এই সিজনটাই হবে ওদের সবচেয়ে বড়টা। বাস্তবে বেশিরভাগের ক্ষেত্রে উল্টোটা হয় — খরচ বাড়ে, ফল আসে কম।

CleatsBD আমাদের কাছে এসেছিল এই একই দ্বিধা নিয়ে — বাজেট আরও বাড়ানো উচিত কি না।

৩. আসল সমস্যাটা কোথায় ছিল

আমাদের উত্তর ছিল, না। কারণ অ্যাকাউন্টের নাম্বারগুলো ঘাঁটার পর আমরা যা দেখেছিলাম, তাতে সমস্যা বাজেটে ছিল না। বাজেট বাড়ানোর আগে বোঝা দরকার ছিল, টাকাটা কোথায় নষ্ট হচ্ছে।

৪. আমরা প্রথমে যা দেখেছিলাম

CleatsBD-র অ্যাড অ্যাকাউন্টে ঢুকে আমরা তিনটা সমস্যা আলাদাভাবে ধরতে পারলাম।

প্রথমেই বিক্রির কথা বলা হচ্ছিল

যাকে প্রথমবার অ্যাড দেখানো হচ্ছে, তাকেই সরাসরি "অর্ডার করুন" বলা হচ্ছিল। এটা অনেকটা রাস্তায় অচেনা একজন মানুষকে দাঁড় করিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার মতো। কিছু মানুষ রাজি হতে পারে, কিন্তু বেশিরভাগ হাঁটা দেবে। এখানেও তাই হচ্ছিল। প্রথমবার অ্যাড দেখা মানুষদের বড় অংশ হারিয়ে যাচ্ছিল, আর তাদের ফিরিয়ে আনার কোনো ব্যবস্থাই ছিল না। প্রতিদিন খরচ একটু একটু করে বাড়ছিল, কারণ একই ভুল বারবার হচ্ছিল, শুধু ভিন্ন মানুষের ওপর।

রিচ ভালো ছিল, আগ্রহ ছিল না

FIFA নিয়ে যারা উত্তেজিত, তাদের সবাই জার্সি কিনতে প্রস্তুত না। এটা সহজ একটা সত্য, কিন্তু প্রায়ই সবাই ভুলে যায়। CleatsBD-র ক্যাম্পেইনও ব্রড টার্গেটিং-এ চলছিল। মানে বাজেটের বড় একটা অংশ এমন মানুষের সামনে যাচ্ছিল যাদের সাথে ব্র্যান্ডের আগে কোনো সম্পর্কই তৈরি হয়নি। ড্যাশবোর্ডে রিচের সংখ্যা সুন্দর দেখাচ্ছিল, কিন্তু সেই সংখ্যার পেছনে কেনার আগ্রহ প্রায় ছিলই না।

দাম না, অবিশ্বাসটাই বাধা ছিল

অনলাইনে জার্সি কেনার সময় একজন মানুষের মাথায় কী প্রশ্ন ঘোরে, সেটা আমরা জানি। কাপড়টা আসলে কেমন, সেলাই টেকসই কি না, রঙ আর প্রিন্ট ছবির মতো আসবে কি না। এই প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তরই তখনকার কনটেন্টে ছিল না। মডেলকে সুন্দর দেখানো হচ্ছিল, প্রোডাক্টকে না। ফ্যাশন প্রোডাক্টে স্ক্রিনের ওপাশের এই অনিশ্চয়তাটাই সবচেয়ে বড় বাধা, দামের চেয়েও বড়।

৫. আমাদের পরিকল্পনা কী ছিল

তিনটা সমস্যার জন্য আমরা একটাই সমাধান ঠিক করলাম — একটা পুরো ফানেল বানানো, যেখানে প্রতিটা ধাপ পরেরটার ভিত্তি তৈরি করে। ৯০ দিনের এই সিস্টেমটাকে আমরা ছয়টা ধাপে ভাগ করেছিলাম: প্রথমে পরিচিতি, তারপর আগ্রহ বোঝা, তারপর কেনার নিয়ত, তারপর বিশ্বাস তৈরি, তারপর কনভার্সন, শেষে স্কেলিং।

এটাই পারফরম্যান্স মার্কেটিং নিয়ে আমাদের নিজেদের বিশ্বাস। শুধু অ্যাড চালিয়ে কিছু হয় না। আগে সিস্টেম দাঁড় করাতে হয়, যেটা প্রতিটা ধাপে পরেরটার জন্য জায়গা তৈরি করে।

৬. আমরা যেভাবে কাজটা করেছি

প্রথম ধাপ: বিক্রি না, পরিচয়

FIFA-কে ঘিরে যে উত্তেজনা এমনিতেই বাতাসে ছিল, সেটা ব্যবহার করেই আমরা প্রথম কনটেন্টগুলো বানাই। কিন্তু লক্ষ্য বিক্রি ছিল না। লক্ষ্য ছিল বোঝা, কে সত্যিকারের ফুটবলপ্রেমী, আর কে শুধু স্ক্রল করে চলে যাচ্ছে। কে কতক্ষণ থামলো, ভিডিও দেখলো, পেজে ইন্টার‍্যাক্ট করলো — এই ডেটাই হয়ে উঠলো পরের ধাপের মূল হাতিয়ার।

দ্বিতীয় ধাপ: যে আগ্রহ দেখালো, শুধু তাকেই আবার দেখানো

পুরো অডিয়েন্সকে আমরা কখনো একসাথে সেল করার চেষ্টা করিনি। যারা ভিডিও দেখেছে, যারা পেজে এনগেজ করেছে, যারা ওয়েবসাইট ঘুরে গেছে, যারা প্রোডাক্টে আগ্রহ দেখিয়েছে, তাদের আলাদা আলাদা দলে ভাগ করি। প্রতিটা দলকে তাদের আগ্রহের সাথে মানানসই কনটেন্ট দেখানো হলো। একই বাজেট, কিন্তু অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক ইমপ্রেশন।

তৃতীয় ধাপ: মনের কথায় না, ডেটার কথায়

প্রতিদিন আমরা দেখতাম কোন কনটেন্ট বেশি আগ্রহ তৈরি করছে, কোন দল সবচেয়ে বেশি কনভার্ট করছে, কোথায় বাজেট আরও দেওয়া উচিত। যেটা ভালো করছিল সেটা দ্রুত বাড়ানো হয়েছে, যেটা করছিল না সেটা সাথে সাথে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ধারণা দিয়ে না, সংখ্যা দেখে।

৭. ক্রিয়েটিভে যা বদলেছি

কাপড় তো স্ক্রিনে ছোঁয়া যায় না। তাই আমরা চোখ দিয়ে ছোঁয়ানোর চেষ্টা করেছি। মডেল-নির্ভর কনটেন্ট সরিয়ে আমরা পুরোপুরি প্রোডাক্টের দিকে মনোযোগ দিলাম:

  • কাপড়ের গঠনের ক্লোজ-আপ
  • সেলাইয়ের ডিটেইল
  • লোগো আর ব্যাজের ফিনিশিং
  • প্রিন্টের মান
  • গায়ে পরলে ফিট কেমন দাঁড়ায়

এই ছোট ছোট জিনিসগুলোই আসলে মানুষের মনের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিল। আর প্রতিটা উত্তরই একধাপ করে কাছে নিয়ে যাচ্ছিল কেনার দিকে। ক্রিয়েটিভ নিয়ে আমাদের কাজের ধরনটাই এরকম — সুন্দর দেখানো লক্ষ্য না, অবিশ্বাসটা ভাঙা লক্ষ্য।

৮. মিডিয়া সাইডে যা বদলেছি

সবচেয়ে বড় বদলটা ছিল ব্রড টার্গেটিং থেকে সরে এসে সেগমেন্ট-ভিত্তিক স্ট্রাকচারে যাওয়া। বাজেট বাড়ানোর বদলে বাজেটটাকে ঠিক জায়গায় পাঠালাম:

  • নতুন মানুষের কাছে সরাসরি "কিনুন" অ্যাড বন্ধ করে দিলাম
  • ভিডিও দেখা মানুষ, পেজে এনগেজ করা মানুষ, ওয়েবসাইট ঘোরা মানুষ, প্রোডাক্ট দেখা মানুষ — প্রত্যেকের জন্য আলাদা রিটার্গেটিং পুল বানালাম
  • Meta-র পাশাপাশি TikTok-এও আলাদা পিক্সেল বসিয়ে সেখানকার ডেটা আলাদাভাবে ধরলাম

পুরো ৯০ দিনে মোট খরচ হয়েছিল $7,859.01। এই পুরো ফলাফলটা এই বাজেটের মধ্যেই এসেছে, বাজেট বাড়িয়ে না।

৯. কনভার্সন সাইডে যা করেছি

এই পুরো সিস্টেমটা চালু রাখতে নিখুঁত ট্র্যাকিং দরকার ছিল, নইলে কোনো সিদ্ধান্তই সঠিক হতো না।

  • Meta Pixel ঠিকভাবে বসানো
  • প্রতিটা কনভার্সনের আলাদা হিসাব রাখা
  • TikTok-এর জন্য আলাদা পিক্সেল
  • প্রতিটা অডিয়েন্স সেগমেন্টের নিজস্ব রিটার্গেটিং পুল

এই ট্র্যাকিং না থাকলে বাকি সবকিছুই অনুমান হয়ে যেত। আর অনুমান নিয়ে আমরা কাজ করি না। এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই প্রতি অর্ডারের খরচ নেমে আসে $1.65-এ।

১০. ফলাফল কী এসেছিল

৯০ দিন পর সংখ্যাগুলো নিজেরাই কথা বলেছে।

  • মোট রেভিনিউ: ৳১.১০ কোটি+
  • ROAS: 7.8X
  • মোট অর্ডার: ৫,৫০০+
  • প্রতি অর্ডারের খরচ: $1.65
  • মোট অ্যাড স্পেন্ড: $7,859.01
  • সময়কাল: ৯০ দিন, FIFA বিশ্বকাপ সিজন

যতটা প্রশ্ন ছিল বাজেট বাড়ানো নিয়ে, ঠিক ততটাই প্রমাণ এই সংখ্যাগুলোয় — বাজেট না বাড়িয়েও এই ফল আসা সম্ভব।

১১. কেন এই ফল এলো

CleatsBD-র এই গ্রোথ বড় বাজেটের গল্প না। এটা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার গল্প। তিনটা সিদ্ধান্ত একসাথে কাজ করেছে:

১. বিক্রির আগে সম্পর্ক তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমরা, নতুন মানুষের কাছে সরাসরি সেল বন্ধ করে ২. সঠিক মানুষকে সঠিক সময়ে খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, ব্রড টার্গেটিং বাদ দিয়ে ৩. মানুষের অবিশ্বাসটা কনটেন্ট দিয়ে ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, মডেল-নির্ভর থেকে প্রোডাক্ট-নির্ভর ক্রিয়েটিভে গিয়ে

বিশ্বকাপ সুযোগ এনে দিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু সেই সুযোগকে রেভিনিউতে বদলেছে একটা পরিকল্পিত সিস্টেম। পরিচিতি থেকে শুরু করে বিশ্বাস পেরিয়ে কেনাকাটা পর্যন্ত।

১২. এই কাজ থেকে যা শিখেছি

সবচেয়ে ভালো লাগার জায়গাটা এখানেই। ৯০ দিন আগে যে দ্বিধা নিয়ে কথা শুরু হয়েছিল, ৯০ দিন পর সেটা আর দ্বিধা ছিল না। ছিল একটা প্রমাণ।

আমরা বারবার একই জিনিস দেখি বাংলাদেশের D2C ব্র্যান্ডগুলোর সাথে কাজ করতে গিয়ে। যে ব্র্যান্ড শুধু অ্যাড চালায়, সে টিকে থাকে একটা সিজন। যে ব্র্যান্ড একটা সিস্টেম তৈরি করে, সে টিকে থাকে পরের সিজনগুলোতেও। পিক সিজনে সমস্যাটা প্রায় কখনোই বাজেটে থাকে না। থাকে ফানেলে।

১৩. এরপর কী

আপনার ব্র্যান্ডও যদি প্রতিযোগিতামূলক কোনো সিজনে একই জায়গায় আটকে থাকে, বাজেট বাড়ছে কিন্তু ফলাফল বাড়ছে না, তাহলে প্রথম প্রশ্নটা বাজেট নিয়ে হওয়ার কথা না। প্রশ্নটা হওয়া উচিত ফানেল নিয়ে।

আমরা আপনার অ্যাড অ্যাকাউন্টটা দেখবো, কোথায় ফানেল ভেঙে যাচ্ছে খুঁজে বের করবো, আর দেখাবো এই সিস্টেমটা ঠিক কীভাবে বসবে আপনার ব্র্যান্ডে।

প্রায়ই জিজ্ঞেস করা প্রশ্ন

পিক সিজনে বাজেট বাড়ালেই কি বিক্রি বাড়ে?

না। CleatsBD-র বেলায় আমাদের উত্তর ছিল, বাজেট বাড়াবেন না। সমস্যাটা ছিল ফানেলে। নতুন মানুষের কাছে সরাসরি বিক্রির অ্যাড চালানো হচ্ছিল, রিটার্গেটিং সিস্টেম ছিল না। একই $7,859.01 বাজেটের মধ্যে ফানেল ঠিক করেই 7.8X ROAS আর ৳১.১০ কোটি রেভিনিউ এসেছে।

আপনারা কীভাবে পুরো ফানেল নিয়ে কাজ করেন?

আমরা ছয় ধাপের একটা কাঠামোয় কাজ করি। প্রথমে কনটেন্ট দিয়ে বোঝা হয় আসল আগ্রহী মানুষ কারা, তারপর তাদেরকে আলাদাভাবে রিটার্গেট করা হয়, আর প্রোডাক্ট-নির্ভর ক্রিয়েটিভ দিয়ে কেনার আগের দ্বিধাটা ভাঙা হয়। পুরোটাই দাঁড়িয়ে থাকে নিখুঁত ট্র্যাকিং-এর ওপর, Meta আর TikTok দুই জায়গাতেই।

জার্সি বা স্পোর্টসওয়্যার ব্র্যান্ডের জন্য কোন ধরনের কনটেন্ট সবচেয়ে ভালো কাজ করে?

CleatsBD-র ডেটা অনুযায়ী প্রোডাক্ট-কেন্দ্রিক কনটেন্ট সবচেয়ে ভালো করেছে। কাপড়ের ক্লোজ-আপ, সেলাইয়ের ডিটেইল, লোগোর ফিনিশিং, ফিট কেমন দাঁড়ায়। সুন্দর মডেল-শট এর চেয়ে এই ছোট ডিটেইলগুলোই অনলাইনে কেনার অনিশ্চয়তাটা দূর করে, যা ফ্যাশন প্রোডাক্টে দামের চেয়েও বড় বাধা।

আপনারা কি শুধু বাংলাদেশের D2C ব্র্যান্ডদের নিয়ে কাজ করেন?

হ্যাঁ। আমরা বাংলাদেশের D2C ব্র্যান্ডদের নিয়ে কাজ করি, Meta, Google আর TikTok-এ ফুল-ফানেল পারফরম্যান্স মার্কেটিং চালাই, সাথে ব্র্যান্ডিং, ক্রিয়েটিভ প্রোডাকশন আর ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট। CleatsBD-র এই কাজটাও সেই একই পূর্ণাঙ্গ পদ্ধতির উদাহরণ।

Share
Want results like this?

Let's build your growth system.

Book a free call. We'll show you exactly what's holding back your growth.

Book Free Strategy Call →

Limited to 5 founders per month.

Weekly Insights

Get growth strategies in your inbox.

Campaign teardowns, scaling frameworks — from real client work.